আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ

স্বৈরতন্ত্র উৎখাত আন্দোলনে অনন্য বাংলাদেশের নারী

প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০২৫ ১০:০৩ এএম

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন বাংলাদেশের নারীরা। পুরুষের সঙ্গে সমানতালে মাঠে সরব থেকে আন্দোলনকে চাঙা রেখেছিলেন নারী শিক্ষার্থীরা। তারা ছিলেন এই আন্দোলনের প্রথম সারির যোদ্ধা।

ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের চোখ রাঙানি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর্যুপরি গুলির সামনে বুক চিতিয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাহসী নারীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের সমন্বয়কদের ডাকে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা বাঁধভাঙা সাড়া দিয়েছিলেন। আন্দোলনে যোগ দিতে লাখো নারী নেমে এসেছিলেন রাজপথে। বুলেট-বোমার সামনে তারা ছিলেন নির্ভীক। এক কথায় বলা যায়, আন্দোলনে একটি বড় শক্তির জায়গায় স্থান করে নিয়েছিলেন দেশের সাহসী নারীরা।

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিশ্ববাসী নারীদের স্বতঃস্ফূর্ততা দেখেছে। তাদের রাগে কাঁপতে দেখেছে, দুঃখে কাঁদতে দেখেছে, চরম দুঃসময়ে সহায়তার হাত বাড়াতে দেখেছে, আহত হতে দেখেছে, শুশ্রূষা করতে দেখেছে। নীতিনির্ধারণ থেকে শুরু করে সশস্ত্র আক্রমণ মোকাবিলা– সব খানেই শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছিলেন নারীরা।

আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নারীরা ছিলেন বেশ সক্রিয়। ২ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌসের প্রতিবাদী আগুনঝরা কণ্ঠে শুনেছি। তিনি পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমার ছাত্রের মুখ চেপে ধরার সাহস কে দিয়েছে আপনাকে?’ ‘আমার ছাত্রের কলার ধরার সাহস কে দিয়েছে আপনাকে? আসেন, চালান গুলি, তুলে নিয়ে যান, সেই ১৯৭১ সালের মতো ২৬-এ মার্চের কালো রাত, বুদ্ধিজীবীদের হত্যা শুনেছি তো, এখন বাস্তবে তা দেখছি।”

শিক্ষার্থীদের পুলিশের লাঠিপেটা ও গ্রেপ্তার থেকে রক্ষা করার জন্য নিজেকে ঢাল হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রভাষক ও বর্তমান সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে দেশের সর্বস্তরের নারীদের অভূতপূর্ব উপস্থিতি ছিল। নারীরা এ সময় যেমন রাজপথের লড়াইয়ে সক্রিয় থেকেছেন, তেমনি সোচ্চার থেকেছেন অনলাইনে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা যেমন এ আন্দোলনের সম্মুখভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তেমনি শিক্ষার্থী-জনতার দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ঘরে-বাইরে-প্রবাসে নারীরা প্রকাশ্য রাজপথে ও অনলাইনে সোচ্চার থেকেছেন। এই আন্দোলনের একটি বড় অংশ মায়েরা, যারা সন্তানের হাত ধরে নেমে এসেছিলেন রাস্তায়। অনেক ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশের সঙ্গে নারীরা তর্ক করছেন। তর্কের যুক্তিগুলোও খুব শক্তিশালী। শুধু তারা মুখোমুখি দাঁড়াচ্ছেন বিষয়টা এমন নয়, বরং তারা শক্তিশালী যুক্তি নিয়ে দাঁড়াচ্ছেন।

আন্দোলনের কণ্ঠস্বর হয়ে দাঁড়ানো এই অসম সাহসী নারীর অনেকেই শেষপর্যন্ত মৃত্যুকে বরণ করেছিলেন। সরকার পতনের দিন ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে সাভার থানা রোডে নিহত হন নাফিসা। একই দিনে বেলা ১১টায় গাজীপুরের ২ নম্বর ওভারব্রিজের কাছে মিছিলে থাকা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান রিতা আক্তার। হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া গুলিতে নিহত হয় নারায়ণগঞ্জের বাসার ছাদে খেলতে থাকা মাত্র ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপ। উত্তরাতেও হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া গুলিতে প্রাণ হারায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাইমা সুলতানা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান টুম্পা নামে এক তরুণী পুলিশের প্রিজনভ্যানের পথ রোধ করে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন। চোখে চশমা, কাঁধে ব্যাগ সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনে সাহসিকতার অন্যতম এক প্রতিচ্ছবি। নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বড় ভাইকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রিজনভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন নুসরাত।

জুলাইয়ের শেষদিনে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি সফল করতে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন সেই আন্দোলনে। হাইকোর্টের সামনে জড়ো হতেই পুলিশের অতর্কিত হামলা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাইকোর্ট এলাকা থেকে নূর আলম হাসানকে পুলিশ ধরে নিতে চাইলে, নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাইকে শক্ত হাতে জড়িয়ে ধরে প্রতিরোধ করেন নুসরাত। এমনকি নূর আলমকে ভ্যানে তোলা হলে প্রিজনভ্যানের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ান তিনি। সাহসী এই তরুণী চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘আমার ভাইকে ধরে নিয়ে যেতে হলে আমার লাশের ওপর দিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমার ভাইকে ছেড়ে না দেওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে এক ইঞ্চিও নড়ব না।’

নুসরাতের সেই অদম্য সাহসিকতার গল্প দেশের অনেকেরই জানা। নুসরাতের সাহসিকতায় সেই সময় আটক হওয়া শিক্ষার্থী নূর আলমও বিস্মিত হন। তিনি বলেন, ‘নুসরাতের মতো এমন সাহসী বোনদের জন্যই বাংলাদেশ দেখেছে এক নতুন সূর্য। সেদিন সে আমাকেই শুধু অবাক করেনি, পুরো বাংলাদেশ ও বিশ্ব তার সাহসিকতায় অবাক এবং বিস্মিত।’

৫ আগস্ট টঙ্গীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নাফিসা হোসাইন মারওয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। বেলা দুইটার দিকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি বাবাকে ফোনে বলেছিলেন, ‘আব্বু, আমি মারা যাচ্ছি। লাশটা নিয়ো।’ এই কথাগুলোই বলে দেয়, নারীরা কী পরিমাণ সাহস ও প্রতিজ্ঞার সঙ্গে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী সেদিন দৃঢ়প্রত্যয়ে বলেছিলেন, ‘আমাদের একটি মেধা পড়লে ১০টি কোটা গিলে খাব। গিলে খাব মানে গিলে খাব। বাবাকে বলে এসেছি, যদি মরে যাই বিজয়ের পর যেন আমার লাশ দাফন করা হয়।’

আন্দোলনের সময় এক অসুস্থ মা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলছিলেন, ‘বাবা, আমি অসুস্থ, তাই তোমাদের সঙ্গে যেতে পারছি না। তোমাদের জন্য দোয়া করেছি, তোমরা বিজয় নিয়ে আসবে।’

অনেক মা তাদের কোলের শিশুদের নিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, ‘আমার তো বড় কোনো সন্তান নেই, তাই এই কোলের শিশুকে নিয়েই আন্দোলনে এসেছি।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যায়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, এই অভ্যুত্থানে মেয়েদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো ছিল। নারীরা সবকিছু ভঙ্গ করে হল থেকে, ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে। আন্দোলন চলাকালীন একজন নারী বলেছে, ‘আমার পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা, পেছনে ফিরলেই পুলিশ গুলি করবে। সুতরাং আমরা স্বাধীনতার দিকেই অগ্রসর হব।’ একজন নারীর মুখ থেকে বের হওয়া এই বক্তব্যটি পুরো জাতির জন্যই একটি আইকনিক স্টেটমেন্ট। এটা যে কত বড় কথা, যে কথাটি এই নারীর মুখ থেকে বেরিয়েছে। এই কথাটি পুরো জাতির জন্য প্রযোজ্য।

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘সে সময় নারীরা যেভাবে পুলিশ ও ছাত্রলীগের অত্যাচার সহ্য করেছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং প্রকৃত সম্মান দেখানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। পুরো জাতিরও আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জুলাইয়ের সেই সাহসী ও দেশের জন্য আত্মত্যাগী সে সব নারীর প্রতি প্রকৃত সম্মান, শ্রদ্ধা ও স্যালুট জানাতে চাই আমি।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যেসব নারী শিক্ষার্থী অগ্রভাগে ছিলেন, তাদের মধ্যে অন্যতম উমামা ফাতেমা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই অন্যতম সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরুতে নারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম ছিল। কিন্তু সময় যত গড়ায়, বিশেষ করে জুলাই মাসে যখন মূল আন্দোলন শুরু হয়, তখন ছাত্রীদের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্রী হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে গ্রন্থাগারের সামনে এসে জড়ো হতেন এবং সেখান থেকে শাহবাগ মোড়ে যেতেন। পরবর্তী সময়ে পুরো আন্দোলনের গতিমুখ নির্ধারিত হয়েছে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের কারণে।

উমামা ফাতেমা বলেন, নারী শিক্ষার্থীরা যদি এত ব্যাপক হারে অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা না রাখতেন, তাহলে আন্দোলনের ওপর অত্যাচারের মাত্রাটা অনেকখানি বেড়ে যেত এবং আন্দোলন সফল না হওয়ারও আশঙ্কা ছিল। তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমি সেই লড়াকু বোনদের স্মরণ করতে চাই যারা জীবন বাজি রেখে রাস্তায় ছিলেন, জীবন উৎসর্গ করেছেন। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মেয়েরা এমন শক্তি দেখিয়েছেন, যা অন্য কোনো দেশের মেয়েরা এখনো দেখাতে পারেনি। ২০২৪-এর মতো সংগ্রাম বোধ হয় পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি। নারীদের ত্যাগ ও নেতৃত্ব ছিল এবারের গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত সাফল্যের অন্যতম মূল ভিত্তি।

২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান বৈষম্যের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতিকে এক করেছিল। ২৪ সালের ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের নাতি–নাতনি’ বলে অবমাননাকর সম্বোধন করেন। তার সেই বিতর্কিত ও কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ও বেগম রোকেয়া হলের ছাত্রীরা। ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠা ওই ছাত্রীরা হলের গেট ভেঙে রাস্তায় নেমে আসেন, আর তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় এক ঐতিহাসিক স্লোগানÑ ‘তুমি কে? আমি কে? রাজাকার, রাজাকার। কে বলেছে? কে বলেছে? স্বৈরাচার, স্বৈরাচার।’

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ছাত্রনেতা ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে নারীরা অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালের ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার আন্দোলনে আমরা দেখেছি নারী শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের গেট ভেঙে আন্দোলনে বেরিয়ে আসে। তাদের এই সাহসই আন্দোলনকে বেগবান করার সাহস যুগিয়েছিল আমাদের।

যে কোনো আন্দোলনে নারীর অংশগ্রহণ এক বিরাট শক্তি উল্লেখ করে ফারুক হাসান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবেও নারীরা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নারীদের এই অবদান কোনোভাবেই ভোলার নয়। গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিরিট ছিল বৈষম্যমুক্ত সর্বজনের অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা। এই আন্দোলনে মেয়েদের অংশগ্রহণ ছিল বিশাল। এটি অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই, শুধু পুরুষদের জন্য না, নারীদের উপস্থিতি থাকাতেই এই আন্দোলন সফল হয়েছে বলে মনে করেন ছাত্রনেতা ফারুক।

জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাবেয়া আক্তার জলি বলেন, নারীদের অসামান্য অংশগ্রহণ ২৪-এর আন্দোলনকে বিজয় এনে দিয়েছিল। নারীদের অংশগ্রহণই ছিল এই বিপ্লবের বিজয়ের নির্ধারক। স্কুল-কলেজের ছাত্রীরা নেমে এসেছিলেন, নেমেছেন শ্রমজীবী নারী এমনকি গৃহবধূরাও। সন্তানের পাশে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন তাদের রক্ষায়। ২৪ জুলাই আন্দোলনে মা-বোন, মেয়েরা যদি অংশগ্রহণ না করত এত তাড়াতাড়ি স্বাধীনতা আসত না।

রাবেয়া আক্তার বলেন, যখন ছেলেরা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, তাদের অনেকে জেলে বন্দি ছিলেন, তখন নারীরা রাজপথের আন্দোলনে সম্মুখভাগে চলে আসেন। আন্দোলনে আমাদের মা, বোন, মেয়েরা যদি অংশ না নিতেন, তাহলে স্বাধীনতাই আসত না বলে মনে করেন রাবেয়া।

১১ নারী শহীদ

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে মোট ১৩২ শিশু-কিশোর এবং ১১ জন নারী শহীদ হয়েছেন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর