লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌর আমীরকে গ্রেফতারে জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ
আওয়ামীলীগ সরকারের মামলায় লালমিনিরহাটের পাটগ্রাম পৌর জামায়াতের আমীর সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবি করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম আজ ২৪ মার্চ এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।
প্রদত্ত বিবৃতিতে তিনি বলেন, “২০১৩ ও ২০১৪ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও পুলিশের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় বর্তমান সরকারের আমলে একজন সক্রিয় রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতার করার ঘটনা দুঃখজনক। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের এভাবে হয়রানি করা দুঃখজনক এবং ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। ফ্যাসিবাদ আমলের মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় পাটগ্রাম পৌর জামায়াতের আমীর সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের যৌথ আক্রমণে নিহত জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীর হত্যা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন উল্টোভাবে ঐ সময়কার শহীদের পিতাসহ জামায়াত নেতা সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পাটগ্রামের পুলিশ আজ দুপুরে জামায়াত নেতা সোহেল রানাকে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলকে সন্তুষ্ট করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রোণোদিতভাবে তাঁকে গ্রেফতার করে।
তিনি আরও বরেন, গত ২২ মার্চ রাত আটটার দিকে পাটগ্রাম ইউনিয়নের কালিরহাট এলাকায় ছাত্র শিবিরের কর্মী মোঃ সাকিবকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা করে মারাত্মক আহত করে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার না করে উল্টো পাটগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসাধীন মারাত্মকভাবে আহত সাকিবকে গ্রেফতার করে। তার পিতাসহ কয়েকজন থানায় মামলা করতে গেলে তাদেরকেও গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। পুলিশ কতটা দলীয় লেজুরবৃত্তি করলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। আমি এই ঘটনারও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, আমি অবিলম্বে সোহেল রানার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি এবং আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলের মত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক কার্যক্রম থেকে বিরত থেকে দল নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”
এআরএস

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: