পিলখানায় শহীদদের কবরে জামায়াত আমিরের শ্রদ্ধা

নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:০২ পিএম

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা সদস্যদের কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কবর জিয়ারত শেষে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন এবং বনানী ও গুলশান থানা জামায়াতের বহু নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় জামায়াত আমির শহীদ সেনা সদস্যদের পরিবারের উদ্দেশ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করা হয়েছে- তারা সকলেই ছিলেন দেশপ্রেমিক ও জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। আমরা নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ও তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা আপনাদেরকে সবর করার তাওফিক দান করুন।

তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, দেশবাসী ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে সেনা হত্যার নির্মম ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে চায়। একই সঙ্গে আমি অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত ‘বিডিআর তদন্ত কমিশন’ এর রিপোর্ট অনুযায়ী দোষী ব্যক্তিদের নাম জাতির সামনে প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি এবং তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, এর আগে সকালে শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর