"মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধিতে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না" (ভিডিও)
আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৫ ১২:৩৬ এএম
বাংলাদেশি পণ্যে আমেরিকার শুল্ক বৃদ্ধির ফলে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আমেরিকায় বাংলাদেশি পণ্যে আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনায় জরুরি এ বৈঠক ডাকেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠক শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “নতুন শুল্ক নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার নিজেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলবেন। আমদানি বাড়ানোর মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো হবে। মার্কিন শুল্ক বাড়ার ফলে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।”
গত বুধবার বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে আমেরিকা। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় বাজার আমেরিকা। ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ এর ফলে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি কমে যেতে পারে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তাদের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার যোগাযোগ রেখে আসছে।
সেখ বশির বলেন, “গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান নিজেই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন। আমাদের উদ্দেশ্য তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা। আমরা বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে চাই। এর জন্য করণীয় কি হতে পারে উভয় পক্ষেরই, এটি নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা আমদানি নীতি সংশোধন করেছি। এর ফলে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।”
এদিকে নতুন শুল্ক আরোপে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “নতুন শুষ্ক নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। আমরা এ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেব।”
খলিলুর রহমান বলেন, “আমি গত ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকায় যাই, প্রথমেই স্টেট ডিপার্টমেন্টে আমাদের বিষয়গুলো উত্থাপন করি। কয়েকটি ডিপার্টমেনটের সঙ্গে কথা হয়। শুরু থেকেই আমরা এনগেজড আছি। ভয়ের কিছু নেই। আমরা আমেরিকার সঙ্গে নিবিড় আলোচনায় আছি। আমাদের প্রতিক্রিয়া তাদের পাঠাব।”
হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, “আমার সঙ্গে কয়েক দিন আগে আমেরিকার ডেপুটি ন্যাশনাল অ্যাডভাইজারের কথা হয়েছে। আমরা তাদের জানিয়েছি। তারা আমাদের বিষয় জানেন। প্রধান উপদেষ্টা আগেই বিষয়টি অনুধাবন করেছেন এবং সময় মত ব্যবস্থা নিয়েছেন। ধারণা করছি, যখন রিবেটের অনুরোধ করব, তখন ইতিবাচক সাড়া পাব।”
এআরএস
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: