মোদির কাছে মিমির সাহায্য প্রার্থনা

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল ২০২৫ ২১:০৪ পিএম

তেলেঙ্গানার বনাঞ্চল ধ্বংস বন্ধ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। মিমি বরাবরই পশুপ্রেমী তথা পরিবেশপ্রেমী, তার প্রমাণ এর আগেও পাওয়া গিয়েছে। আরেকবার বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য আওয়াজ তুললেন অভিনেত্রী।

ইনস্টা স্টোরিতে গাছ কাটার ভিডিও শেয়ার করে মিমি লিখেছেন- ‘এটা মারাত্মক বিপর্যয়। এখনো কেন আমরা বুঝতে পারছি না? এত বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কিসের জন্য, যখন নিত্যদিন বাতাস এভাবে বিষিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই তো ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছি।’

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দরবারে সাহায্যের আবেদন জানান মিমি।

এক্স হ্যান্ডেলে মিমি লিখেন, ‘দয়া করে সাহায্য করুন স্যার, ৪০০ একর বন ধ্বংস হচ্ছে, বন্যপ্রাণীরা যন্ত্রণায় ছটফট করছে, কাঁদছে। প্রতিবাদ করার জন্য ছাত্রদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমাদের আপনার সাহায্য দরকার।’

হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অনতিদূরেই ৪০০ একর জমির গাছ কাটা নিয়ে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। ওই জমিতে তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেলেঙ্গানা সরকার। সেই প্রেক্ষিতেই রোববার থেকে বুলডোজার চালিয়ে গাছ কাটা শুরু হয়। বাদসাধে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা। জমি দখল নিয়ে লাগাতার আন্দোলনে নেমেছিল তারা। পুলিশি ধরপাকড়ের মুখেও পড়তে হয় পড়ুয়াদের।

সেসব ধ্বস্তাধ্বস্তির ছবি-ভিডিও নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়। এ ইস্যুতেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে অবিলম্বে বনাঞ্চল ধ্বংসের কাজ বন্ধের আর্জি জানান মিমি চক্রবর্তী।

রোববার হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অনতিদূরের জমিতে গাছ কাটা শুরু হতেই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিয়ে বুলডোজারের উপরে উঠে পড়েন শিক্ষার্থীরা। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান একাংশ। বুধবার তেলেঙ্গানা পুলিশের লাঠিচার্জের কোপে পড়ে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরতরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ৪০০ একর জমিতে প্রচুর জীববৈচিত্র্য রয়েছে। গাছ কেটে ফেললে তা একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাদের সঙ্গী হয় ভাটা ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিও। যৌথভাবে তাদের আবেদন, ওই এলাকাটি বনাঞ্চল হিসেবে ঘোষিত হোক। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনের আওতায় ওই অঞ্চলকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে গড়ে তোলা হোক- এমনটাই প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।

তেলেঙ্গানা সরকারের পালটা জবাব, হায়দরাবাদের অনেক জায়গাতেই সাপ, ময়ূর রয়েছে। সব স্থানকে বনাঞ্চল বলা যায় না।

সেসব ভিডিও শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানান অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর