ইবিতে নানা আয়োজনে সরস্বতী পূজা উদযাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত:
২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:০১ পিএম
ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা উদযাপিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বরে আয়োজিত এ পূজাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য আবহ। উৎসবকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা রঙিন আলপনা ও নকশায় পূজামণ্ডপ সাজিয়ে তোলে।
বানী অর্চনায় ইবি পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. অরবিন্দ সাহার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈষ্ণব কুল তিলক ভক্তপ্রবর মিহির ঘোষ। অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভু চৈতন্য দাস, শ্রীকৃষ্ণ পল্লী। পূজায় পৌরোহিত্য করেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী পার্থ প্রতীম চক্রবর্তী। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শুভ সরকার।
এদিন সকাল সাড়ে ৯ প্রতিমা স্থাপন করা হয়। পরে বেলা ১০ টার দিকে দেবী অর্চনা ও পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এরপর সকাল ১০টা থেকে ধর্মালোচনা শুরু হয় এবং দুপুর ২ টা থেকে প্রসাদ বিতরণ শেষে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেকেই কেবল ইসলামি সংস্কৃতির চর্চাকেন্দ্র হিসেবে দেখে থাকেন। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে শিক্ষার্থী হিসেবে সমানভাবে মূল্যায়ন করে এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করে।
সভাপতি অধ্যাপক ড. অরবিন্দ সাহা বলেন, "আমাদের 'বাণী অর্চনা' সকাল ১০টার দিকে শুরু হয় এবং আমরা চারটি পর্ব রেখেছি। এগুলো হলো প্রথমে পূজা, ধর্মীয় আলোচনা, দুপুরের খাবারের আয়োজন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আমাদের পূজা উৎসব করতে গিয়ে পুলিশ-প্রশাসন এবং কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়ে আমরা নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমরা সবাই শান্তিকামী আমরা চাই সবাই একসাথে মিলেমিশে শান্তিতে থাকতে তারই একটি নিদর্শন হচ্ছে 'সরস্বতী' যিনি বিদ্যার দেবী। কু-বিদ্যা দূরীকরণ করে সুবিদ্যা অর্জন করে শিক্ষার আলোয় জ্ঞান ও প্রতিভাময়ী সমাজ গড়তে চাই।"
LIMON

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: